Monday, মে ২০, ২০২৪
শিরোনাম

সাঁথিয়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নকলনবিশ রাসেলের দৌরাত্ম্য

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

আরিফ খানঃ পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নকলনবিশ রাসেল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাব-রেজিস্ট্রারের প্রিয়ভাজন হওয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না দলিল লেখক ও ভুক্তভোগীরা। ফলে তিনি দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।
জানা গেছে, সাঁথিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল রেজিস্ট্রির সময় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার অজুহাতে নানা কৌশলে দলিলদাতা ও গ্রহীতাদের নিকট থেকে অতিরিক্তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দলিল খারিজ দেয়া না থাকলে নকলনবিশ রাসেল হোসেন এ ক্ষেত্রে এক হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। খাজনা পরিশোধের রসিদ না থাকলে তিনি খতিয়ান প্রতি পাঁচ শত টাকা এবং আরএস মূল পরচা না থাকলে পাঁচ শত টাকা নিয়ে থাকেন। এছাড়া সরকারি এনএন ফিস বাবদ দলিলপ্রতি ২৩ শত টাকা আদায় করেন যা দানপত্র ও বিক্রয় কবলা দলিলে ২ শত ৪০ টাকা নেয়ার কথা। অপরদিকে হেবা দলিলের এনএন ফিস নেয়ার কথা ৬ শ টাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দলিললেখক জানান, টাকা নেয়ার বিধান না থাকলেও দলিলের সার্টিফাইড কপি তুলতে গেলে প্রতি নকলে তিনি ৪০ টাকা নিয়ে থাকেন। সাব-রেসিস্ট্রারের সাথে যোগসাজসেই তিনি এসব কর্মকান্ড করে যাচ্ছেন বলে তারা জানান। আর এ কারণে এ অফিসে সম্প্রতি বেশকিছু জাল দলিল নিবন্ধনের অভিযোগ উঠেছে। এসব জাল দলিলের ঘটনায় ভুক্তভোগী উপজেলার হুইখালি গ্রামের মীর মোহাম্মদ খাইরুল কবির ওরফে দারা পাবনা আদালতে এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করেছেন।, একই গ্রামের মীর জাহিদ আলীও দুটি জাল দলিলের মামলা দায়ের করছেন।
অভিযুক্ত রাসেল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভাই আপনি উপজেলার গেটে এসে আমাকে ফোন দিন। একসাথে বসে চা খাই আর কথা বলি ভাই। এরপরও তার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি আবার বলেন ভাই আপনি অফিসে আসেন চা খাই আর কথা বলি।
এ ব্যাপারে সাঁথিয়া সাব-রেজিস্ট্রার ফজলুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

সর্বশেষ খবর