Tuesday, মে ২১, ২০২৪

নানান রোগে ভোগায় মন খারাপ

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

কোনও দিন মন খারাপ হয়নি, এমন মানুষ পাওয়া মুশকিল। কিন্তু কোনও অসুখ হলে সেই সমস্যা যত সহজে সবাই বলতে পারেন, মন খারাপ নিয়ে তেমনটা নয়। মন খারাপ বা ডিপ্রেশনে ভোগা মানেই সেটা মানসিক সমস্যা আর মানসিক সমস্যা মানেই পাগল! এই ধারণা থেকে অনেকে দিনের পর দিন ডিপ্রেশনে ভুগলেও সেটি লুকিয়ে রাখেন। সমস্যা লুকোতে কেউ হয়তো বলেন, মাথাব্যথা, বা শরীরে ব্যথা, বা অন্য কোনও সমস্যা। বেশি জোরাজুরি করলে হয়তো বেরোয়, কিচ্ছু ভাল লাগছে না। কিন্তু সমস্যাটা যে মনে, সেটা বলতেই যত দ্বিধা। অথচ মন খারাপ হয় সেরোটোনিন, ডোপামিনের মতো কিছু রাসায়ানিক পদার্থের (নিউরোট্রান্সমিটার)-এর ভারসাম্য নষ্ট হলে।

সমস্যাঃ

দিনের পর দিন ডিপ্রেশন পুষে রাখলে নানা সমস্যার উদয় হয়। কারও খেতে ইচ্ছে করে না, তো কেউ খুব বেশি খেয়ে ফেলেন। কারও ঘুম হাওয়া, তো কেউ সারা দিনই ঘুমোতে থাকেন। সারা রাত ঘুমোনোর পরও মনে হয়, হয়তো ক্লান্তি লাগছে। ফলে সারটা দিন বরবাদ। কাজে মন লাগে না। কেউ অধৈর্য হয়ে ওঠেন। হুটহাট ঝগড়া বাধিয়ে বসেন। আবার কেউ চুপ মেরে যান। কথাবার্তাই বন্ধ করে দেন। মন খারাপ কথাটা শুনতে সাদামাঠা লাগলেও ব্যাপারটা গড়িয়ে যেতে পারে আত্মহত্যা অবধিও।

মুক্তির উপায়ঃ

শুধুই অবসাদ লাগছে, কাজের প্রতি উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন? কোনও কিছু করতে ইচ্ছে করছে না? এ রকম বুঝলে নড়েচড়ে বসুন। মন খারাপকে প্রশ্রয় দেবেন না।

নিজেই চেষ্টা করুন মন খারাপ ঝেড়ে ফেলার। যে কারণে মন খারাপ, সেটি থেকে মনকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন কিছু সময়ের জন্য। দেওয়ালে, খাতায় মন ভাল করে দেওয়ার মতো কিছু কোটেশন লিখে রাখুন। যাতে আপনার চোখে পড়ে। নিজেকে বোঝান, সমস্যা থাকেই, আবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সমস্যা ফিকেও হয়ে আসে। আপনার থেকে যারা খারাপ অবস্থার মধ্যে আছে, তাদের দিকে তাকান। মন ভাল থাকে, এমন কিছু করুন। নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। তবে নিজে থেকে না কমলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখাতে হবে। কাউন্সেলিং করলে মনখারাপ কমে যায়। দরকারে ওষুধও খেতে হয়।.

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

সর্বশেষ খবর