Monday, মে ২০, ২০২৪
শিরোনাম

আটঘরিয়ার লক্ষীপুরে ব্রীজ ভেঙে ফেলায় বাঁশ কাঠের সাঁকো দিয়ে ১৫ হাজার লোকের পাড়াপার

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

ইব্রাহীম খলীল: পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন ইছামতি নদীর ওপর বাঁশ কাঠের সাঁকো দিয়ে ১৫ হাজার লোক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পাড়াপার হচ্ছে।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শ্রীপুর, কৈজুরী,লক্ষীপুর পূর্ব, লক্ষীপুর পশ্চিম, দাপুনিয়া, চরড়-শ্রীপুর, গারুলিয়া,রাজাপুর, দুলামপুর, বাওইকোলা, ফলিয়া, বালুঘাটা, কেশবপুর, রঘুরামপুর, যাত্রাপুর, রানীগ্রাম, জয়কৃষ্ণপুর, পদ্মলোচনপুর, দেবোত্তর, একদন্ত, ভাঙ্গুড়া, চান্দাইসহ ২২ গ্রামের প্রায় ১৫ হজার মানুষ। প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

লক্ষীপুর ইউনিয়নটি পাবনা জেলার আটঘরিয়া উপজেলার একটি ছোট ইউনিয়ন। এটি পাবনা –আরিচা মহাসড়কের রাজাইমন্ডল থেকে উত্তর দিকে পাবনা সদর থানার আতাইকুলা ইউনিয়নের ইছামতি নদীর উত্তর পাড় ঘেসে অবস্থিত। উত্তরে হাদল ইউনিয়ন পূর্বে ভুলবাড়িয়া ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে একদন্ত ইউনিয়ন অবস্থিত। দক্ষিনে পাবনা সদর উপজেলা অবস্থিত।

লক্ষীপুর এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন জানান, ইছামতি নদীর ওপর দিয়ে ২০ বছরের পুরোনো সরু একটা ব্রীজ ছিলো। ব্রীজটি এতো ছোট এবং চিকন ছিলো যে একটা ভ্যান কোনমতো পাড়াপাড় হতে পারতো। পথযাত্রীরা হেটেও এই ব্রীজ দিয়ে চলাচল করতো।

 

এলাকাবাসী জানায়, আমাদের বহুদিনের একটা স্বপ্ন ছিলো এখানে যেনো একটা বড় ব্রীজ হয়। আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানানোর পরে দীর্ঘ দিনের পুরোনো ব্রীজটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। বর্তমানে এখানে আনুমানিক ১০০মিটার নতুন ব্রীজের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু ব্রীজটি ভেঙে ফেলার পর বাঁশ কাঠ দিয়ে যে অস্থায়ী ব্রীজ তৈরি করা হয়েছে তা অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকাবাসীর দাবি নতুন ব্রীজের কাজটি যেনো খুবদ্রুত শেষ করা হয়।

বাঁশ কাঠের অস্থায়ী সেতুতে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী, কৃষক এবং রোগীরা।
জানা গেছে, ২২ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়েই সেতুটি দিয়ে মালামাল, খাদ্যসামগ্রী ও কৃষিপণ্য পারাপার করেন। অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, রিকশা ও ভ্যানসহ দেড় শতাধিক যান প্রতিদিন সেতুটি দিয়ে চলাচল করছে।

জানাগেছে,লক্ষীপুর ইউনিয়নের আয়তন -৯,৯৯৪ একর (৪০.৪৭ বর্গ কিলোমিটার)। মোট জনসংখ্যা – ২২,৩৬৯ জন । তার মধ্যে পুরুষ- ১১,১৩০ জন, মহিলা- ১১,২৪৯ জন।

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

সর্বশেষ খবর