Monday, মে ২০, ২০২৪
শিরোনাম

ওরা মানে না মানা… : বাঁধের হাট ও কাশিনাথপুর হাটে জনসমাগম

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

শিকদার সোবহান : পাবনার আমিনপুর থানার বাঁধের হাট ও সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুরে জনসমাগম বন্ধ করা যাচ্ছে না। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এই অঞ্চলের হাটবাজারে জনসমাগম হচ্ছে হাজারো মানুষের।
প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার বিশেষ কয়েকটি পণ্যের দোকান ছাড়া হাটবাজার বন্ধের নির্দেশ দিলেও এসব হাটবাজারে নিয়ম মানা হচ্ছে না। আগের মতোই হাটবাজারে কেনাবেচা হচ্ছে সব ধরনের পণ্য। বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব হাটে সমাগম হচ্ছে হাজারো ক্রেতা-বিক্রেতার। এমনকি হাটে আসা ৫০ ভাগ মানুষই মাস্ক ছাড়াই অবাধে চলাফেরা করছেন।
রোববার (২৯ মার্চ) সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর হাটে এবং মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাঁধের হাটে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও কাশিনাথপুর হাটে একইভাবে হাজার হাজার মানুষের জনসমাগম হয়।
স্থানীয়রা জানায়, সপ্তাহে দুদিন করে এই সব বড় বাজারে হাট বসে। এসব হাটে করোনা আতঙ্কের মধ্যেও কেনাবেচা এবং জনসমাগম কমেনি।
বেড়া ও সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরি ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট, সরকারি-বেসরকারি অফিস, পরিবহন বন্ধের ঘোষণা দেয়। অতিরিক্ত জনসমাগমকেও নিরুৎসাহিত করা হয়। সামাজিক দূরত্বসহ নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনার কথা বলা হয়। সরকারের এ কাজ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে বড় বড় হাটে কেনাবেচা হচ্ছে আগের মতোই। এসব হাটে সমাগম হচ্ছে হাজারো মানুষের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাটবাজার ইজারাদার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বলা হলেও নিয়ম মানেনি তারা। ফলে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমাগমে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীসহ সচেতন মহল।
কাশিনাথপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সহকারী সার্জন ডা. সৈয়দ সুলতান মাহমুদ বলেন, সামাজিক কর্মকাণ্ডে-হাটবাজারে অবাধে বিচরণ করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
কাশিনাথপুরের প্রবীন চিকিৎসক (মেডিসিন বিশেষজ্ঞ) ডা. শামীম হুসাইন বলেন, গ্রামীণ হাটবাজারে ব্যাপক সমাগম করোনা সংক্রমণের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি।
সাঁথিয়া থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, বিদেশফেরতদের বাড়ি পাহারা দেয়াসহ পুলিশের অনেক কাজ করতে হয়। কাজেই কোনটা ছেড়ে কোনটা করি এমন অবস্থা হয়েছে আমাদের। তারপরও বিষয়টি দেখব আমরা।

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

সর্বশেষ খবর