Monday, মে ২০, ২০২৪
শিরোনাম

অতি সত্ত্বর নগরবাড়ি ঘাট লকডাউন চায় এলাকাবাসী

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

গোলাম মাহবুব : উত্তরবঙ্গের একসময়ের প্রবেশদ্বার খ্যাত, বেড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নগরবাড়ি ঘাট। সমগ্র বাংলাদেশের নদীবন্দরগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই নদীবন্দর দিয়ে বর্তমানে সমগ্র উত্তরবঙ্গে সার, সিমেন্ট, কয়লা, ভুট্টা, গম এবং চাঁদপুর, মুন্সীগন্জ, নারায়ণগন্জে পাথর ও চাউল সরবরাহ করা হয়। এই নদীবন্দরে প্রতিদিন লোডিং-আনলোডিং এ সর্বনিন্ম ১০০০ শ্রমিক কাজ করছে, এছাড়া গড়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০-৩০০ ট্রাক লোড-আনলোড হয়, প্রতিটি গাড়ির ২জন করে স্টাফ থাকলে সংখ্যা দাঁড়ায় ৫০০+, এছাড়া প্রায় ৫০০-৭০০জন জাহাজ/ট্রলার স্টাফ রয়েছে। এছাড়া নগরবাড়ি ঘাট থেকে ৯ কি.মি দূরে কাজিরহাট ঘাট অবস্থিত, এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন অবাধে ঢাকা থেকে জনগন উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এটা জাতির সাথে তামাশা ছাড়া কিছুই না বলে মনে করে এলাকাবাসী। এরই মধ্যে চাঁদপুর, মুন্সীগন্জ, নারায়ণগন্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল করোনার কারণে লকডউন করা হয়েছে। সেই সব এলাকার মানুষ নগরবাড়ি ঘাটে ভীর জমানোর কারণে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে এলাকাবাসী।
যদি অতি দ্রুত নগরবাড়ি ঘাটের জনসমাগম বন্ধ করা না যায় তাহলে নগরবাড়ি অচিরেই করোনা মহামারিতে নিমজ্জিত হতে পারে।
এ ব্যাপারে নগরবাড়ি এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন,” অতি শীঘ্রই এক মহামারির সামনে উপস্থিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি আমরা, অতি সত্ত্বর নগরবাড়ি ঘাট লকডাউন করে আমাদেরকে রক্ষা করার জন্য জোরালো দাবি জানাচ্ছি।”
এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নগরবাড়ি লকডাউন চেয়ে ঝড় তুলেছে এলাকাবাসী। আব্দুর রাজ্জাক সরদার, ফারিয়ান আহমেদ টুটুল, ইমরান মিয়া, রাজকুমার সন্জয়সহ অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী তাদের নিজ নিজ প্রোফাইলে নগড়বাড়ী ঘাট লকডাউন চেয়ে দাবি জানিয়ে বিভিন্ন লেখা পোস্ট করেছেন।
সুতরাং নগড়বাড়িসহ পুরো পাবনা জেলাকে করোনা বিস্তারের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য করোনার প্রবেশদ্বারে পরিণত হওয়া নগরবাড়ী ঘাটকে লকডাউন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন পাবনা জেলার বিশ্লেষকেরা।

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

সর্বশেষ খবর