Sunday, মে ১৯, ২০২৪
শিরোনাম

পাবনায় হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে।

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

পাবনা-সদর প্রতিনিধি : পাবনায় জেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদার আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে।
সোমবার বিকালে জেলা পরিষদ ভবনের নিচতলায় অবস্থিত হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘট

এই ঘটনার পর জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের সুপারিনটেনডেন্ট মুশফিকুর রহমান জীবনের নিরপত্তা চেয়ে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

মুশফিকুর রহমান বলেন, জেলা ফিন্যান্স ও একাউন্টস অফিস থেকে সকল সরকারি কর্মকর্তার বেতন ও উন্নয়ন কাজের বিলের অর্থ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি ছাড়া তা দেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সম্প্রতি শহরের কৃষ্ণপুরের নাইস কনস্ট্রাকশনের মালিক ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন তার একটি ঠিকাদারি কাজের জামানাতের পাঁচটি চালান হারিয়ে ফেলেন; এরপর ডুপ্লিকেট চালান তৈরি করে বিল দাখিল করেন।

“বিষয়টি আইনসম্মত না হওয়ায় হারিয়ে যাওয়া জামানাতের চালানের বিষয়ে থানার জিডিসহ বিল দাখিলের পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি সোমবার বিকালে ম্যানেজার আসাদকে সাথে নিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসে এসে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে মারতে উদ্যত হন।”
তবে, হামলা বা মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ঠিকাদার ও আওয়ামী লীগ ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা অহেতুক ঘুরানোয় কিছুটা কথা কাটাকাটি হয়েছে। লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটেনি।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, আমরা এ ঘটনায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হাসান শাহীন অভিযুক্ত ফারুক হোসেনের দলীয় পদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর পাবনার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আনাম সিদ্দিকীকে লঞ্ছিত করেন পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন। একের পর এক এমন ঘটনায় জেলায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

সর্বশেষ খবর