Sunday, মে ১৯, ২০২৪
শিরোনাম

জাতসাখিনী ইউনিয়নবাসীর সেবক হতে চান মানিক

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

স্টাফ রিপোর্টার : পাবনার বেড়া উপজেলার জাতসাখিনী ইউনিয়নবাসীর সেবক হতে চান জাতসাখিনী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ধোবাখোলা করোনেশন স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মানিক।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি জাতসাখিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার প্রার্থীতা নিয়ে চলছে আলোচনা। প্রতিদিনই তার পক্ষে চেয়ারম্যান পদে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দোয়া চেয়ে ও সফলতা কামনা করে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে তার পক্ষে জনমত গড়ে তুলছেন। তাকে ভালোবেসেই এলাকার তরুণপ্রজন্ম অনলাইনে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, সেই সাথে এলাকার সর্বস্তরের কিছু মানুষ লিফলেট নিয়ে প্রচারণায় মেতে উঠেছেন। অনেকেই ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে মানিকের জন্য দোয়া চাইছেন। লিখেছেন- আবুল কালাম আজাদ মানিককে চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চান। আবার কেউ কেউ লিখেছেন, চেয়ারম্যান হতে যেসব যোগ্যতা ও মন-মানসকিতা লাগে সে সবকিছুই আছে মানিকের মধ্যে। এক কথায় চেয়ারম্যানপ্রার্থী মানিক এখন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত।
চেয়ারম্যান হবেন- এই উদ্দেশ্যে নয়, সামাজিক দায়বোধ থেকেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের গরীব, দুস্থদের সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। পরোপকার তার রক্ত-মাংশ-অস্থি-মজ্জায় মিশে আছে। তার বাবা ইসহাক আলী মোল্লা জাতসাখিনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ছিলেন জাতসাখিনী ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যান। তার বাবা শুধুমাত্র নিজ ইউনিয়ন নয়, আশাপাশের দুইচার ইউনিয়নের সর্বশ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। মানিকের বাবা ইসহাক আলী মোল্লা নিজ জমি দান করে বাবার নামে নয়াবাড়ি ইয়াছিন উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাজনারায়নপুর ইয়াছিন মোল্লা মেমোরিয়াল কবরস্থান প্রতিষ্ঠা করেন। ইসহাক আলী মোল্লা নাটিয়াবাড়ির ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ ধোবাখোলা করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়, নগরবাড়ি কেরামতিয়া মাদ্রাসা ও রাজনারায়নপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি ছিলেন। জনগণের সেবক হিসেবে সর্বজন বিদিত ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব ইসহাক আলী মোল্লার উত্তরসূরী হিসেবে আবুল কালাম আজাদ মানিকও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে ইতোমধ্যে এলাকার অনেকেরই প্রিয় পাত্রতে পরিণত হয়েছেন। তরুণ সমাজ সেবক হিসেবে ইউনিয়ন ছাপিয়ে উপজেলাবাসীর কাছেও সুপরিচিত। এলাকার গরীবদুখিদের সাহায্যসহযোগিতা ছাড়াও শিক্ষার মানোন্নয়নেও এলাকায় ব্যাপক কাজ করে চলেছেন দীর্ঘদিন ধরে। আর এ কারণেই সকলের ভালোবাসায় নাটিয়াবাড়ির ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধোবাখোলা করোনেশন স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতির মতো গুরু দায়িত্বও এখন তার ওপরেই।
প্রতিটি ঈদে ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তিনি মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। করোনা মহামারীতেও অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন নিজ উদ্দ্যেগেই।
এ বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ মানিকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ১৯৯২-৯৩ সালে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে এসেছি জনকল্যাণে নিঃস্বার্থ সেবা করার জন্য। তাই ছাত্রজীবন থেকে মানুষের সেবা করতে ভালোবাসি। আমার পিতার দেখানো পথে জনসেবার স্বপ্নে বড় হয়েছি, বাস্তবে তা করার চেষ্টা করছি। এটিকে আমৃত্যু আগলে রাখতে চাই। আমার কাছে এ ইউনিয়নের জনগণ যখন যে কোনো বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছেন, তা আমি আমার সাধ্যমতো করার চেষ্টা করেছি। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জাতসাখিনী ইউনিয়নবাসী আমাকে চাচ্ছে। তারা নিজেরাই ইতোমধ্যে পুরো ইউনিয়নব্যাপী আমার পক্ষে জনমত গড়ে তুলে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, মানুষের সেবা করার ইচ্ছা থাকলে, চেয়ারম্যান না হয়েও সেবা করা যায়। চেয়ারম্যান হই বা না হই আমি সবসময় ইউনিয়নবাসীর সেবা করে যাব, ইনশাআল্লাহ। আমার পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য, আমার সামাজিক-রাজনৈতিক জীবন, আমার পরিচ্ছন্ন জীবনাচার বিবেচনা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দেন, তবে আমি জাতসাখিনী ইউনিয়নবাসীর সেবক হয়েই আমৃত্যু কাটাতে চাই।

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

সর্বশেষ খবর