Sunday, মে ১৯, ২০২৪
শিরোনাম

দীপ্ত প্রভাতীতে পাবনার সুনীল সূত্রধর

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

নিজস্ব প্রতিনিধি : পাবনা জেলার কাশিনাথপুরের কৃতি সন্তান সংগীত শিল্পী সুনীল সূত্রধর বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকাল ৭টায় জনপ্রিয় কিছু বাংলা গান নিয়ে আসছেন দীপ্ত টেলিভিশনের দীপ্ত প্রভাতীতে। সুনীল সূত্রধর একজন প্রতিশ্রুতিশীল কণ্ঠশিল্পী। পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার সোনাপদ্মা গ্রামে ১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-মৃত তারাপদ সূত্রধর ও মাতা-ষষ্ঠী রাণী সূত্রধর। সাত ভাই, এক বোনের মধ্যে সুনীল সপ্তম।
সুনীলের শৈশব কেটেছে সোনাপদ্মা গ্রামে। সোনাপদ্মা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। পরবর্তীতে কাশিনাথপুর গোটেংরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণিতে লেখাপড়া করেন। কাশিনাথপুর আব্দুল লতিফ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৫ সালে এসএসসি ও পরবর্তীতে কাশিনাথপুর শহীদ নূরুল হোসেন ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে ভর্তি হন সরকারি মিউজিক কলেজ, ঢাকায়। সেখান থেকে বিমিউজ শেষ করে ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (UODA) থেকে এমমিউজ সম্পন্ন করেন।
ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি ছিল তার অদম্য ইচ্ছা। সেই ইচ্ছা থেকেই ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন তিনি পাবনার গুণী শিল্পী প্রদীপ দাসের কাছে সংগীতে হাতেখড়ি নেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ বেতার ও ২০০১ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে নজরুল সংগীত ও আধুনিক গানের শিল্পী হিসেবে তালিকাভূক্ত হন। ইতোমধ্যে ‘রিমিঝিমি বরষাতে’ নামের একটি মিক্সড সিডি অ্যালবামে তাঁর মৌলিক গান ‘পারি না তোমায় ভুলে যেতে’ ও ‘মনের কথাটি আজও হলো না বলা’ আধুনিক বাংলা গানের শ্রোতাদের মন কেড়েছে।
কর্মজীবন শুরু হয় তার কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ-এ সংগীত প্রভাষক হিসেবে। বর্তমানে তিনি UODA-এর সংগীত বিভাগের একজন সহকারী অধ্যাপক।
সুনীল সূত্রধর ২০০১ সালে ATN বাংলার নবীনবরণ প্রতিযোগিতায় দেশের মধ্যে নজরুল সংগীতে শ্রেষ্ঠ শিল্পী নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত জাতীয় শিাসপ্তাহ প্রতিযোগিতায় সাঁথিয়া উপজেলা, পাবনা জেলা, রাজশাহী বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করেন।
প্রখ্যাত শিল্পী মান্নাদে বাংলাদেশ সফরকালীন একটি অনুষ্ঠানে মান্না দে’র উপস্থিতিতে মান্না দে’র ললিতা গানটি পরিবেশন করে অকুণ্ঠ প্রশংসা কুড়ান এবং মান্নাদে’র কাছ থেকে আশীর্বাদ প্রাপ্ত হন।
২০০৬ সালে ঢাকার প্রাণতোষ চক্রবর্তীর কণিষ্ঠ কন্যা বিজয়া চক্রবর্তীর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সহধর্মীনি বিজয়া চক্রবর্তীও কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ-এ সংগীত বিভাগের একজন সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। কন্যা সুজয়ার বয়স ১০ ও পুত্র বর্ণের বয়স ৩ বছর।

শেয়ার করতে এখানে চাপ দিন

সর্বশেষ খবর